কর্ণফুলীর তীরে, সাত পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা এক বন্দরনগরী। পর্যটন, ইতিহাস, শিক্ষা, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা থেকে জরুরি যোগাযোগ — চট্টগ্রামের সবকিছু এক জায়গায়।
যেকোনো সংকট বা আপদকালীন সময়ে দ্রুত যোগাযোগের জন্য ওয়ান-ট্যাপ ডায়াল করুন অথবা সকল থানা ও ফায়ার সার্ভিসের সম্পূর্ণ ডিরেক্টরি পেজে যান।
চট্টগ্রামের যেকোনো মোড় থেকে পর্যটন স্পট, হাসপাতাল বা উপজেলায় যাওয়ার লোকাল বাস/টেম্পু রুট, সিএনজির ন্যায্য ভাড়া এবং কর্ণফুলীর জোয়ার-জলাবদ্ধতার লাইভ পূর্বাভাস।
চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা, পাহাড়-ঝর্ণা, সমুদ্র সৈকত ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে আপনি কোনগুলো ঘুরেছেন বা টেস্ট করেছেন তা সিলেক্ট করুন—এবং ১-ক্লিকে আপনার ব্যক্তিগত "চাটগাঁইয়া পাসপোর্ট কার্ড" ডাউনলোড করে বন্ধুদের চ্যালেঞ্জ করুন!
১০টি চাটগাঁইয়া শব্দ ও বাক্যের সঠিক মানে বলুন, তারপর খেতাবসহ ফলাফল বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
আরব, পর্তুগিজ, মুঘল আর ব্রিটিশ বণিকদের পদচারণায় মুখর ছিল এই বন্দর। প্রতিটি যুগ রেখে গেছে নিজস্ব ছাপ।
আরব ও পারস্যের বণিকরা প্রাচীনকাল থেকেই এই উপকূলে নোঙর ফেলতেন। কর্ণফুলী মোহনার প্রাকৃতিক গভীরতা একে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে পরিণত করে।
পর্তুগিজ নাবিকরা এই বন্দরকে ডাকতেন "পোর্তো গ্রান্দে" বা বাংলার মহাবন্দর নামে।
১৬৬৬ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় চট্টগ্রাম। ব্রিটিশ আমলে রেল যোগাযোগ ও আধুনিক বন্দর অবকাঠামো গড়ে ওঠে।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারিত হয়।
আজ চট্টগ্রাম বন্দর দেশের সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।
ঔপনিবেশিক স্থাপত্য থেকে যুদ্ধ-স্মৃতি — শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইতিহাসের অনন্য সাক্ষী।
বহু ধর্ম-বিশ্বাসের মিলনস্থল — মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার শতবর্ষী সহাবস্থান।
সমুদ্র সৈকত থেকে পাহাড়ি ঝর্ণা — চট্টগ্রামে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আছে বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা।
কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত, যেখান থেকে দেখা যায় কার্গো জাহাজের যাতায়াত।
সৈকত · বিস্তারিত দেখুন ↗পাহাড়ে ঘেরা কৃত্রিম হ্রদ, বোটিং আর ওয়াটার অ্যামিউজমেন্ট পার্কের জন্য পরিচিত।
লেক · বিস্তারিত দেখুন ↗নয়টি ধাপের অপূর্ব পাহাড়ি ক্যাসকেড — ট্রেকারদের অন্যতম প্রিয় গন্তব্য।
ঝর্ণা · বিস্তারিত দেখুন ↗আনোয়ারার ঝাউবনঘেরা শান্ত সৈকত এবং কর্ণফুলী টানেল সংযোগ।
সৈকত · বিস্তারিত দেখুন ↗১,১৫২ ফুট উঁচু পাহাড় চূড়ার প্রাচীন মন্দির ও অ্যাডভেঞ্চার ট্রেইল।
পাহাড় · তীর্থ ↗শতবর্ষী বৃক্ষের ছায়াঘেরা পাহাড় ও চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র।
প্রকৃতি · সংস্কৃতি ↗ওপেন-সোর্স ইন্টারেক্টিভ ম্যাপে বন্দরনগরীর শীর্ষ পর্যটন স্থান, হাসপাতাল, ঐতিহ্য ও জরুরি সেবা লোকেশন অনুসন্ধান করুন।
পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ থেকে ঐতিহ্যবাহী স্কুল — শিক্ষার সব স্তর।
শহরের প্রাণকেন্দ্র জুড়ে ছড়িয়ে থাকা পাইকারি-খুচরা বাণিজ্যের ঐতিহ্যবাহী এলাকা।
বন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠা শিল্পাঞ্চল — জাহাজভাঙা, ইস্পাত থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পের এক বিশাল বলয়।
মেজবানি মাংস থেকে চাটগাঁইয়া কালাভুনা — প্রতিটি পদে আঞ্চলিক ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ স্বাদ।
চাটগাঁইয়া ভোজের ঐতিহ্যবাহী গরুর মাংসের মশলাদার পদ, সাদা ভাত আর চনার ডাল সহযোগে পরিবেশন করা হয়।
ধীর আঁচে দীর্ঘ সময় কষানো গাঢ় কালচে রঙের রসালো মাংস — চট্টগ্রামের অনন্য সিগনেচার রান্না।
হাড়ের ভেতরের নরম মজ্জা (Bone marrow) সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী চাটগাঁইয়া ঝোল পদ।
উপকূলীয় ঐতিহ্যের তাজা লইট্টা মাছের ক্রিস্পি ফ্রাই এবং বৈচিত্র্যময় শুঁটকি ভুনা।
স্থানীয় সুগন্ধি চাল ও খাসির মাংসের নিখুঁত দম বিরিয়ানি ও বুটের ডাল।
কাজীর দেউড়ি বা চেরাগী পাহাড়ে জনপ্রিয় কয়লায় ভাজা মশলাদার কাবাব ও পরোটা।
আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স থেকে শতাব্দীপ্রাচীন পাইকারি বাজার — সময়সূচি ও কেনাকাটার নির্দেশিকা।
চট্টগ্রামের শীর্ষ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালসমূহের সরাসরি ইমার্জেন্সি ও তথ্য ডিরেক্টরি।
রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী চট্টগ্রামের শীর্ষ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্লাড ব্যাংক অনুসন্ধান করুন।
চট্টগ্রামের প্রধান প্রশাসনিক ও সেবা প্রদানকারী কার্যালয়সমূহের ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য।
আকাশ, রেল, দূরপাল্লা ও নগর অভ্যন্তরে সিটি বাস — চট্টগ্রামের সম্পূর্ণ যাতায়াত রুট ও ভাড়া নির্দেশিকা।
পতেঙ্গা, অভ্যন্তরীণ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট টার্মিনাল। সিটি সেন্টার থেকে প্রায় ১৫ কিমি।
সুবর্ণ, সোনার বাংলা, পর্যটক ও কক্সবাজার এক্সপ্রেসসহ দেশের প্রধান আন্তঃনগর ও চবি শাটল ট্রেন টার্মিনাল।
ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গগামী দূরপাল্লার বিলাসবহুল এসি ও নন-এসি বাস কাউন্টার হাব।
সদরঘাট ও পতেঙ্গা থেকে সন্দ্বীপ, কুতুবদিয়া ও আনোয়ারা পারাপারের স্পিডবোট ও ওয়াটার বাস টার্মিনাল।
| বাস নং / নাম | চলাচল রুট (Origin ➜ Destination) | প্রধান স্টপেজসমূহ | আনুমানিক ভাড়া |
|---|---|---|---|
| ১০ নং বাস | কালুরঘাট ➜ পতেঙ্গা সী বিচ | বহদ্দারহাট ➜ মুরাদপুর ➜ ২ নং গেট ➜ জিইসি ➜ আগ্রাবাদ ➜ কাস্টমস ➜ পতেঙ্গা | ১০ – ৫০ টাকা |
| ১ নং বাস | বহদ্দারহাট ➜ নিউ মার্কেট / কোতোয়ালী | মুরাদপুর ➜ চকবাজার ➜ আন্দরকিল্লা ➜ লালদিঘি ➜ কোতোয়ালী মোড় | ১০ – ২৫ টাকা |
| ৩ নং বাস | ফতেয়াবাদ / চবি গেট ➜ নিউ মার্কেট | অক্সিজেন ➜ মুরাদপুর ➜ চকবাজার ➜ চেরাগী পাহাড় ➜ নিউ মার্কেট | ১৫ – ৩৫ টাকা |
| ৪ নং বাস | ভাটিয়ারী ➜ নিউ মার্কেট | সিটি গেট ➜ এ কে খান ➜ অলংকার ➜ দেওয়ানহাট ➜ টাইগারপাস ➜ নিউ মার্কেট | ১৫ – ৩০ টাকা |
| ৬ নং বাস | লালদিঘি ➜ সি-বিচ / বিমানবন্দর | নিউ মার্কেট ➜ আগ্রাবাদ ➜ বারেক বিল্ডিং ➜ সিমেন্ট ক্রসিং ➜ পতেঙ্গা | ১০ – ৪০ টাকা |
| ৭ নং বাস | ভাটিয়ারী ➜ কোতোয়ালী / নিউ মার্কেট | নয়াবাজার ➜ অলংকার ➜ কদমতলী ➜ স্টেশন রোড ➜ নিউ মার্কেট | ১৫ – ৩০ টাকা |
| ৮ নং বাস | অক্সিজেন মোড় ➜ আগ্রাবাদ / কাস্টমস | বায়েজিদ ➜ ২ নং গেট ➜ জিইসি ➜ লালখান বাজার ➜ দেওয়ানহাট ➜ বাদামতলী | ১০ – ৩৫ টাকা |
| ট্রেনের নাম | গন্তব্য | চট্টগ্রাম ছাড়ার সময় | সাপ্তাহিক ছুটি | আসন ও ভাড়া (শোভন/স্নিগ্ধা) |
|---|---|---|---|---|
| সুবর্ণ এক্সপ্রেস (৭০১) | ঢাকা (কমলাপুর) | সকাল ০৭:০০ | সোমবার | ৪০৫ ৳ (শোভন চেয়ার) / ৭৭৭ ৳ (স্নিগ্ধা) |
| সোনার বাংলা এক্সপ্রেস (৭৮৭) | ঢাকা (কমলাপুর) | বিকাল ০৫:০০ | বুধবার | ৪০৫ ৳ (শোভন চেয়ার) / ৭৭৭ ৳ (স্নিগ্ধা) |
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩) | কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন | সকাল ০৭:২০ | সোমবার | ১৮৫ ৳ (শোভন চেয়ার) / ৩৫০ ৳ (স্নিগ্ধা) |
| পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫) | কক্সবাজার | রাত ০১:০০ | রবিবার | ১৮৫ ৳ (শোভন চেয়ার) / ৩৫০ ৳ (স্নিগ্ধা) |
| চবি শাটল ট্রেন | চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস | সারাদিনে নিয়মিত ট্রিপ (সকাল ৭:৩০ থেকে) | শুক্রবার ও শনিবার সীমিত | শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি / নামমাত্র |
| গন্তব্য / রুট | যানবাহন ও মাধ্যম | আনুমানিক সময় | ভাড়া পরিসীমা |
|---|---|---|---|
| জিইসি / নিউ মার্কেট ➜ বিমানবন্দর | সিএনজি অটোরিকশা (রিজার্ভ) / উবার | ৩৫–৫০ মিনিট (ফ্লাইওভার দিয়ে দ্রুত) | ৩০০ – ৫০০ টাকা |
| আগ্রাবাদ ➜ বিমানবন্দর | ১০ নং / ৬ নং সিটি বাস অথবা সিএনজি | ২৫–৩৫ মিনিট | বাসে ৩০ ৳ / সিএনজি ২৫০ ৳ |
| পতেঙ্গা ➜ বঙ্গবন্ধু টানেল ➜ আনোয়ারা | প্রাইভেট কার / মাইক্রোবাস / সিএনজি | ১০–১৫ মিনিট (টানেল পারাপার ৩ মিনিট) | টোল: কার ২০০ ৳, মাইক্রো ৪০০ ৳ |
| নতুন ব্রিজ ➜ বাঁশখালী / কক্সবাজার | পিএবি রোড ডাইরেক্ট বাস ও মিনিবাস | ১–২ ঘণ্টা | ৬০ – ১৫০ টাকা |
ব্যবসায়িক সম্মেলন, পারিবারিক অবকাশ কিংবা পাহাড়ি ইকো-স্টে — চট্টগ্রামের শীর্ষ আবাসন ও বুকিং ডিরেক্টরি।
শহরের সীমানা ছাড়িয়ে সবুজ পাহাড়, উপত্যকা, ঝাউবন সৈকত ও চা বাগানে ঘেরা ১৫টি উপজেলার আকর্ষণ ও ট্যুর রুট প্ল্যানার।
চন্দ্রনাথ পাহাড় (১,১৫২ ফুট চূড়া), সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও সুপ্তধারা/সহস্রধারা ঝর্ণা, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ও বাঁশবাড়িয়া বিচ।
খৈয়াছড়া ৯-ধাপের জলপ্রপাত, মহামায়া সেচ প্রকল্প ও কায়াকিং লেক, নাপিত্তাচড়া ট্রেইল এবং দেশের বৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর।
হাজারীখীল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ট্রি-টপ ট্রেইল, ঐতিহাসিক মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ ও দেশের বৃহত্তম চা বাগানসমূহ (নেপচুন, ভুজপুর)।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) পাহাড়ি সবুজ ক্যাম্পাস ও শাটল ট্রেন, হালদা নদী (প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র) ও প্রাচীন ঐতিহাসিক মাদ্রাসা।
চুয়েট (CUET) প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, মহামুনি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, পাহাড়তলী চা বাগান ও বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের বাস্তুভিটা।
শেখ রাসেল এভিয়ারি ও ইকো-পার্ক (কেবল কার), কর্ণফুলী নদীর মনোরম তীর, কোদালা চা বাগান ও মরিয়মনগর প্রাচীন জনপদ।
বঙ্গোপসাগরের বুকে শতবর্ষী দ্বীপ, সবুজ ঘাট ও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, রহমতপুর ও বাউরিয়া সৈকত এবং শতাব্দীপ্রাচীন নারিকেল বাগান।
পারকি সমুদ্র সৈকত ও ঝাউবন, কর্ণফুলী টানেলের দক্ষিণ প্রান্ত, কাফকো ও সিইউএফএল শিল্পাঞ্চল এবং চায়না অর্থনৈতিক জোন।
বাঁশখালী ইকোপার্ক ও সুদীর্ঘ ঝুলন্ত সেতু, ৩৭ কিমি দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, বখশী হামিদ মসজিদ ও উপকূলীয় কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ঐতিহাসিক শান্তির হাট, কুসুমপুরা মুঘল জামে মসজিদ, চক্রশালা প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রধান বাণিজ্যিক মোকাম।
শিকলবাহা নদী তীর, কালাবিবি দিঘি, কেইপিজেড (Karnaphuli EPZ) ও বঙ্গবন্ধু টানেল সংযোগ মহাসড়ক।
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম, জ্যৈষ্ঠপুরা পাহাড়ি পর্যটন এলাকা ও শতবর্ষী কালুরঘাট রেল ও সড়ক সেতু সংযোগ।
কাঞ্চননগর চা বাগান ও বোটানিক্যাল ভিউ, বরমা ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক গ্রাম এবং পেয়ারার জন্য বিখ্যাত কাঞ্চনাবাদ।
ঐতিহাসিক বায়তুল ইজ্জত বিজিবি ট্রেনিং সেন্টার, কেরানীহাট মহাসড়ক জংশন ও সোনাকানিয়া পাহাড়ি ঝিরি অঞ্চল।
চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (এশীয় বুনো হাতির অন্যতম প্রধান করিডোর ও ট্রেইল), পদুয়া ও আধুনগর পাহাড়ি এলাকা।
সকালে চট্টগ্রাম শহর থেকে রওনা দিয়ে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে হালকা ট্রেকিং, দুপুরে গুলিয়াখালী সবুজ ঘাসের ম্যানগ্রোভ সৈকতে বাতাস উপভোগ এবং বিকেলে মহামায়া লেকে শান্ত কায়াকিং ও সানসেট দেখে সন্ধ্যায় শহরে ফেরা।
পতেঙ্গার মোহনায় জাহাজ দেখা শেষে ৩.৩২ কিমি নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল পাড়ি দিয়ে আনোয়ারা। পারকি বিচের শান্ত ঝাউবনে সময় কাটানো, তাজা কাঁকড়া ও সি-ফুড ফ্রাই ট্রাই করা। পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য সেরা।
ফটিকছড়ির হাজারীখীল অভয়ারণ্যে ট্রি-টপ ও ক্যানোপি ওয়াক, সবুজ চা বাগানের মাঝে ফটোসেশন এবং ফেরার পথে মাইজভাণ্ডার শরীফ ও চুয়েট ক্যাম্পাস ঘুরে আসা।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক রূপ অন্বেষণ — বাঁশখালীর কৃত্রিম হ্রদ ও ঝুলন্ত সেতু, বিশাল উপকূলীয় সৈকত এবং চুনতি বনাঞ্চলের ট্রেইলে পাখি ও বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ।
নিজস্ব সমৃদ্ধ চাটগাঁইয়া ভাষা, মেজবান সংস্কৃতি, বলীখেলা ও লোকজ ঐতিহ্যের অনন্য সমাহার।
ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লব, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির জগতে বিশ্বমঞ্চে চট্টগ্রামকে তুলে ধরা অমর ব্যক্তিত্ববৃন্দ।
১৯৩০ সালের ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল ও জালালাবাদ যুদ্ধের মহানায়ক। ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে চট্টগ্রামকে কয়েক দিনের জন্য স্বাধীন ঘোষণা করেছিলেন।
১৯৩২ সালে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব সফলভাবে আক্রমণের নেতৃত্ব দেন। ধরা না পড়ার প্রত্যয়ে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মির সাহসী যোদ্ধা। সূর্য সেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে চট্টগ্রামের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ও চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা।
কেমব্রিজের রাজকীয় গবেষণা ছেড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে প্রতিষ্ঠা করেন আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান (RCMPS)। স্টিফেন হকিংয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী।
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার জনক। চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সৃষ্টি করেন।
মধ্যযুগীয় ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের বিরল পুঁথি সংগ্রহ ও উদ্ধারকারী পথিকৃৎ। আলাওলের 'পদ্মাবতী' সহ বহু অমূল্য সাহিত্য নিদর্শন উন্মোচন করেন।
'পলাশীর যুদ্ধ' মহাকাব্যের রচয়িতা এবং আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তাঁর দেশপ্রেমমূলক সাহিত্য বাংলা ভাষাভাষীদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।
'আঞ্চলিক গানের সম্রাজ্ঞী' শেফালী ঘোষ ও কিংবদন্তি শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব চাটগাঁইয়া সুর ও লোকসংস্কৃতিকে সারা বিশ্বের দরবারে অনন্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ভাষা আন্দোলনের বীর সংগ্রামী এবং চারুকলা ও এপিগ্রাফির শীর্ষ গবেষক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান।
মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক, সুফি ভাবধারার আধ্যাত্মিক সাধক ও চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা ও পেশাজীবীদের ক্যাটাগরি-ভিত্তিক তালিকা।
বছরজুড়ে বন্দরনগরীতে আয়োজিত উল্লেখযোগ্য বার্ষিক মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
চট্টগ্রাম ভ্রমণের সেরা পথনির্দেশ ও প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন।
বিকেলের স্নিগ্ধ বাতাস, সূর্যাস্ত এবং স্ট্রিট ফুড উপভোগের পূর্ণাঙ্গ প্ল্যান।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রেলওয়ে ঐতিহ্য এবং নির্মল পাহাড়ি পরিবেশের গল্প।
মিরসরাই ট্রেইল, ঝিরিপথ হাঁটা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা নির্দেশিকা।
পাহাড়ঘেরা সবুজ ক্যাম্পাস এবং শাটল ট্রেনে ভ্রমণের অনন্য অভিজ্ঞতা।
সীতাকুণ্ডের ১,১৫২ ফুট চূড়ায় ওঠা এবং মেঘের মিতালির রোমাঞ্চ।
টানেল পাড়ি দিয়ে ঝাউবনঘেরা সৈকতে একদিনের পারিবারিক ভ্রমণ।
পোর্টালকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল স্মার্ট সিটি প্ল্যাটফর্মে রূপ দিতে শীঘ্রই যুক্ত হচ্ছে এই ফিচারগুলো।